• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০২ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম:
গোবিন্দগঞ্জের বাজুনিয়পাড়ায় সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্যই রাজনৈতিক কর্মীর পরিচয় বললেন শহিদুল ইসলাম রাজা ঠাকুরগাঁওয়ে ৩ দফা দাবিতে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি সরকারি মাতামুহুরী কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত রাজধানী বনশ্রী সোসাইটির কমন ফ্যাসিলিটিজের জায়গা পুনরুদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন গণসংবর্ধনায় সিক্ত হলেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল গোপালগঞ্জ বিপুল পরিমাণ মাদক সহ দু’জন আটক. বান্দরবানের লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তীব্র সংকট: ৫০শয্যা হইতে ১০০শয্যা উন্নীতকরণের জোর দাবি বকশীগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

১৭ লাখ টাকার বায়না, জমি হস্তান্তর না করে উধাও বিক্রেতা! পরে অগ্নিসংযোগ ও গুমের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য

সংবাদদাতার নাম / ২৩৮ ভিজিটর
সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার সালমা

নরসিংদীর, রায়পুরার, আমিরগঞ্জ এলাকায় জমি বিক্রিকে কেন্দ্র করে ১৭ লাখ টাকার বায়না গ্রহণ, জমি হস্তান্তর না করা, মিথ্যা মামলা ও গুমের অভিযোগকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খিতিশ চন্দ্র বিশ্বাসের পুত্র সুমন চন্দ্র বিশ্বাস, যুবরাজ চন্দ্র বিশ্বাস ও শিবু চন্দ্র বিশ্বাসের কাছ থেকে রাসেল গংসহ মোট পাঁচজন একটি জমি ক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। এ সময় জমির বায়না বাবদ ১৭ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, টাকা গ্রহণের পরও জমির মালিকানা হস্তান্তর না করে সুমন চন্দ্র বিশ্বাস আত্মগোপনে চলে যান।
ভুক্তভোগীদের দাবি, পরবর্তীতে তারা জমির মালিকানা বুঝে নিতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের হয়রানিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কথিত অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের ভেতরে একটি তোষক পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন ছাড়া বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির আলামত পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, নিজেদের ক্ষুদ্র ক্ষয়ক্ষতিকে বড় ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করে রাসেল গংকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
এদিকে, বায়না হিসেবে দেওয়া ১৭ লাখ টাকা ফেরত চাইলে সুমন চন্দ্র বিশ্বাস বাড়ি ছেড়ে চলে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে তার স্ত্রী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে দাবি করেন, সুমনকে গুম করা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, সুমনকে গুম করা হয়েছে—এমন কোনো ঘটনার বিষয়ে তারা অবগত নন।

স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, সুমন ও তার পরিবারের সদস্যরা কাজের সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে ভৈরব এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।
ঘটনাটিকে ঘিরে এলাকায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, বায়নার টাকা ফেরত এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ দেখুন