• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম:
গোবিন্দগঞ্জে রাতভর ১৭ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে চেয়ারম্যান বিপ্লব ফুলছড়িতে দুর্যোগ মোকাবিলায় নতুন আশ্রয়কেন্দ্র, সহায়তা পেলেন ৪০০ কৃষক রায়গঞ্জে ইঞ্জিন অয়েলে এমআরপি মুছে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ ঘুড়কা ইউপি নির্বাচন: ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে লড়ছেন তরুণ সমাজসেবক মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ গাইবান্ধায় জেলা পুলিশের কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত ভয়হীন আনন্দময় শিক্ষায় আলোকিত হতে চায় রেবেকা হাবিবের শিক্ষার্থীরা এমপিও নীতিমালার ১১.১৭(ক) ধারা লঙ্ঘন: হরিপুরে শিক্ষকতা ও কাজি পেশা একসাথে চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ বলাই সিমলা দাখিল মাদ্রাসায় “আরিফ” কে সভাপতি করে এডহক কমিটির অনুমোদন। সলঙ্গা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে “হিরন” কে সভাপতি করে এডহক কমিটির অনুমোদন। গাইবান্ধায় জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্যই রাজনৈতিক কর্মীর পরিচয় বললেন শহিদুল ইসলাম রাজা

সংবাদদাতার নাম / ১৩৪ ভিজিটর
সময় : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গাইবান্ধা থেকে মোঃ আবু জাফর মন্ডল:

দলীয় পরিচয়ে রাজনীতি করতে হলে সর্বাগ্রে প্রয়োজন দলের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা মেনে চলার মানসিকতা তৈরি করা।

দলের পরিচয় ও সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে দলীয় সিদ্ধান্তের প্রশ্নে ব্যক্তিগত ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা কিংবা স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া কখনোই আদর্শিক রাজনীতির পরিচয় হতে পারে না।
প্রবীণ নেতা শহিদুল ইসলাম রাজা তিনি বলেন, রাজনীতিতে ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, আর ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলীয় স্বার্থ ও সাংগঠনিক ঐক্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ। একটি রাজনৈতিক দলের শক্তি শুধু তার জনপ্রিয়তা বা সাংগঠনিক বিস্তৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং নেতাকর্মীদের পারস্পরিক আস্থা, আনুগত্য, শৃঙ্খলা ও ঐক্যই দলের মূল ভিত্তি।
দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে প্রত্যেক নেতাকর্মীর মতামত, পরামর্শ কিংবা ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ থাকতে পারে। গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকা অস্বাভাবিক নয়। তবে সাংগঠনিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পর সেটিকে সম্মান করা এবং ঐক্যবদ্ধভাবে বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখাই একজন দায়িত্বশীল ও ত্যাগী কর্মীর রাজনৈতিক পরিপক্বতার পরিচয়।
দলের কঠিন সময়ে পাশে থাকা, দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আন্তরিক হওয়া এবং ব্যক্তিগত হিসাব-নিকাশের ঊর্ধ্বে উঠে সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়াই প্রকৃত রাজনৈতিক আদর্শ। পদ-পদবি কিংবা পরিচয় নয়—দলের প্রতি নিষ্ঠা, কর্মীদের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থাই একজন কর্মীর প্রকৃত মূল্যায়নের মাপকাঠি।
রাজনীতিতে নেতৃত্বের সিদ্ধান্তকে পাশ কাটিয়ে ব্যক্তিকেন্দ্রিক অবস্থান তৈরি করা সংগঠনের জন্য যেমন ক্ষতিকর, তেমনি তা নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অনৈক্য সৃষ্টি করতে পারে। তাই দলীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
দলে থাকলে দলের সিদ্ধান্তকে সম্মান করতে হবে, দলের দুঃসময়ে দলের পাশে থাকতে হবে এবং সুসময়ে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে সংগঠনের অর্জনকে বড় করে দেখতে হবে। কারণ একটি সুসংগঠিত, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ দলই জনগণের আস্থা অর্জন করে দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
সুতরাং দলীয় পরিচয় শুধু বহন করার বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দায়িত্ব, আনুগত্য, শৃঙ্খলা ও আদর্শের প্রতি অঙ্গীকার।

দলের সিদ্ধান্ত মানা, দলীয় ঐক্য অটুট রাখা এবং দলীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়াই একজন প্রকৃত রাজনৈতিক কর্মীর পরিচয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ দেখুন