• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম:
গোবিন্দগঞ্জে রাতভর ১৭ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে চেয়ারম্যান বিপ্লব ফুলছড়িতে দুর্যোগ মোকাবিলায় নতুন আশ্রয়কেন্দ্র, সহায়তা পেলেন ৪০০ কৃষক রায়গঞ্জে ইঞ্জিন অয়েলে এমআরপি মুছে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ ঘুড়কা ইউপি নির্বাচন: ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে লড়ছেন তরুণ সমাজসেবক মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ গাইবান্ধায় জেলা পুলিশের কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত ভয়হীন আনন্দময় শিক্ষায় আলোকিত হতে চায় রেবেকা হাবিবের শিক্ষার্থীরা এমপিও নীতিমালার ১১.১৭(ক) ধারা লঙ্ঘন: হরিপুরে শিক্ষকতা ও কাজি পেশা একসাথে চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ বলাই সিমলা দাখিল মাদ্রাসায় “আরিফ” কে সভাপতি করে এডহক কমিটির অনুমোদন। সলঙ্গা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে “হিরন” কে সভাপতি করে এডহক কমিটির অনুমোদন। গাইবান্ধায় জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে নজির বিহীন ঘটনা! এজলাসে বিচারকের ছুরে মারা পেপার ওয়েটের আঘাতে নারী শিক্ষানবিশ আইনজীবী আহত অপসারণের দাবিতে উত্তাল আদালত প্রাঙ্গণ……

সংবাদদাতার নাম / ২৪৭ ভিজিটর
সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

এম টি রহমান মাহমুদ
গোপালগঞ্জ..

গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক নারী শিক্ষানবিশ আইনজীবীর ওপর বিচারক কর্তৃক হামলার ঘটনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা।

গত ২২ জুলাই ২০২৬ ইং প্রকাশ্য আদালতে বিচারকের ছুড়ে মারা পেপার ওয়েটের আঘাতে ওই নারী আইনজীবী আহত ও লাঞ্ছিত হওয়ার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত বিচারকের দ্রুত অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, গতকাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা শুনানি চলাকালে বিচারক সুজন মিয়া হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। এতে সাবিহা সুলতানা নামে এক নারী শিক্ষানবিশ আইনজীবী গুরুতর আহত ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হন।
এই নজিরবিহীন ও ন্যক্কারজনক ঘটনার জের ধরে আজ সকাল ১০টায় জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সদস্যরা বিচার কাজ বর্জন করে জেলা বার ভবনের সামনে উপস্থিত হন। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি আদালত প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বার ভবনের সামনে এসে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে আইনজীবী নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন “প্রকাশ্য আদালতে বিচারক কর্তৃক একজন নারী আইনজীবীর ওপর এমন হামলা ও শারীরিক লাঞ্ছনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নজিরবিহীন। বিচারালয়ে একজন আইনজীবীর পেশাগত মর্যাদা ও শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে বিচারব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আর কোনো আস্থা থাকবে না।”
বক্তারা অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একইসাথে তাঁরা সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট সুজন মিয়ার দ্রুত অপসারণের জোর দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারি দেন যে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আইনজীবী সমিতির আন্দোলন ও বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এদিকে এ ঘটনার পর থেকে গোপালগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত বিচারকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আদালত সূত্রে জানা গেছে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারিক (আমলি) ক্ষমতা ইতোমধ্যেই স্থগিত করা হয়েছে। কষ্ট! লজ্জা! আমরা কেন এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হবো! আজ আমরা লজ্জিত! এই বিচারক

সুজন মিয়া ঘুষ বাণিজ্যে ও সুচতুর! ধিক্কার! আইনজীবীরা বলেন বিচারক যখন ঘুষ বানিজ্যে আসক্ত হন তখন ন্যায় বিচার আশা করা ভূল! আজ মানুষ যখন দূর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছেন তখন কিছু মানুষ দেশটাকে কলুষিত করছে। আমরা সকলে পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ চাই!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ দেখুন